Seminar on Rohingya Issue at Bangladesh Heritage Foundation (BHF)

 

মায়ানমারে রোহিঙ্গানির্যাতন এবং এর সমাধান

১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

স্থান- বিএইচএফ সেমিনার রুম

 

বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন “মায়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন এবং এর সমাধান”এই বিষয়ের উপর ১০/১২/২০১৬ তারিখে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে।  উক্ত আলোচনা সভায় বক্তারা কূটনৈতিক আলোচনাকে এই সমস্যা সমাধানের শ্রেষ্ঠ উপায় বলে মনে করেন। ১৯৭৭ সালে মায়ানমারের সেনাশাসক জেনারেল নে উইনের “অপারেশান নাগামিন” অভিযান এর ফলে প্রায় ৩ লক্ষ রোহিঙ্গা নির্যাতনের ভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। ১৯৭৮ সালে ওআইসি-র একটি প্রতিনিধি দলের প্রচেষ্টায় কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যার ফলশ্রুতিতে ১৯৭৯ সালের আগস্ট-ডিসেম্বর এর মধ্যে সেই ৩ লক্ষ রোহিঙ্গাকে মায়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

আলচনাসভায় বক্তারা আরও বলেন যে, রোহিঙ্গানির্যাতন বন্ধে জাতিসংঘকে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। মেজর শামসুল আরেফীন বলেন যে, বাংলাদেশে অগনিত রোহিঙ্গা প্রবেশের ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়ছে এবং এদেরকে জঙ্গি হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। জনাব মাহবুবুর রশিদ বলেন যে, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে কিছুটা নিষ্ক্রিয় ভুমিকা পালন করছে। সুতরাং, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দিপাক্ষিক আলোচনা অপরিহার্য। ইন্দোনেশীয় প্রতিনিধি মিস লরেনশিয়া ব্রাহমানা দিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ওয়ালিউর রহমান বলেন যে, বাংলাদেশ এবং মায়ানমার বিসিআইএম এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ হিসেবে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দেশ দুটির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করা অতীব জরুরী। আলোচনাসভার প্রধান অতিথি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির  মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক  ড আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন যে, রোহিঙ্গা শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্যই নয় সারাবিশ্বের জন্যই হুমকিস্বরূপ। সুতরাং, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান অত্যন্ত প্রয়োজন।

 

BHF in Print Media

Events

 

Photo Gallery

Copyright © 2014 BHF- All rights reserved. Powered by: i-make IT Solution

User Login