Activities 2019

“India-Bangladesh Energy Cooperation: Policy Issues and orientations”

Press Release

 

Bangladesh Heritage Foundation and Jawaharlal Nehru University have jointly organized an International Conference on March 16, 2019, Saturday on “India-Bangladesh Energy Cooperation: Policy Issues and orientations” at Sufia Kamal Auditorium, Bangladesh National Museum, Shahbag, Dhaka. This conference was chaired by Mr. Waliur Rahma, Chairman of Bangladesh Heritage Foundation and Dr. Sanjay K Bhardwaj in two seasons.

From India, Dr. Sanjay K Bhardwaj, PhD, Professor and Chairperson, Centre for South Asian Studies; Professor S D Muni, Professor at Jawaharlal Nehru University (JNU) and Professor Muchkund Dubey, former Indian High Commissioner to Bangladesh and Chairman of the Asian Development Research Institute, Patna presented papers. From Bangladesh Mollah M Amzad Hossain, Editor,Journal, Energy & Power; Engr Khondkar Abdus Saleque ,Cpeng & FIEB, International Energy Consultant, Melbourne Australia; Mr. Rafiqul Islam,Director, Training, Bangladesh Power Management Institute (BPMI) presented papers.

In the conference Professor Mohammad Tamim Pro-Vice Chancellor, BRAC University; Dr. Badrul Imam, Professor, Department of Geology, University of Dhaka, Bangladesh; Mr. Masud Ahmed, Honorary, Fellow, CIPFA (UK) Former Comptroller and Auditor General of Bangladesh presented their significant speech. Besides, this conference was attended by concerned Energy and Power sector experts from Bangladesh and India.

Professor Mohammad Tamim said that, there are several problems among South Asian countries, which impact on energy security of Bangladesh. Through regional cooperation and cross border trade these problems can be resolved.

Professor Muchkund Dubey said that, Myanmar is 3rd largest gas producing country in the world. Bangladesh can explore and gas from Myanmar and hydro power from Nepal, Bhutan and Myanmar through cross border energy trade.

Dr. Sanjay K Bhardwaj said that, over the last few years, India has been exploring multiple options for the formulation of its energy policy (domestic and overseas), multiple fuels, and multiple suppliers to sustain the economic growth of the country. To address this growing demand, the energy surplus countries provide brighter prospects of energy cooperation that will not only determine their national economic expansion plans, but will also bring underserved local populations onto the grid and into the economy.

Mr. Waliur Rahma said that, Bangladesh could be the gateway of cooperation cross border energy trade among ASEAN and Indo-pacific region. To fulfill the energy demand of Bangladesh, it needs regional connectivity with India as well as with Nepal and Bhutan. These countries have surplus hydro potential that Bangladesh can use through regional connectivity. Bangladesh has larger possibilities in energy sector; but it needs managerial skill development for efficient cross border trading and inter-state cooperation.

Engr Khondkar Abdus Saleque said that, power generation & power demand vary differently in each South Asian nation due to seasonal variation. Bangladesh has low power demand from November to February while Bhutan and Nepal have high power demand during this time. Bangladesh can export power to Bhutan & Nepal. He also added that, regional collaboration in sharing power & cross-border power trade will benefit all south Asian countries.

Besides this, distinguished speakers said that, for the development of energy and power sector of Bangladesh and Bangladesh-India inter-state cooperation, speakers through their paper presentations and speeches discussed about policy issues, prospects and challenges.  The speakers recommended that Bangladesh need to establish medium and large size power projects, set up coal-based power plants, and to complete Multi Client Seismic Survey.

সোনালি দিনের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তিঃ প্রেক্ষাপট নির্বাচন ২০১৮

2-2-2019 তারিখে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত শাহ এ.এম.এস.কিবরিয়াও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর অকাল মৃত্যুতে স্মরণসভা এবং ২০১৮ জাতীয় নির্বাচনে গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সাফল্য নিয়ে ”সোনালি দিনের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তিঃ প্রেক্ষাপট নির্বাচন ২০১৮“ শিরোনামে  একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। উক্ত প্রোগ্রামে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান জনাব ওয়ালিউর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফরহাদ হোসাইন,এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিস মাহজাবিন খালেদ, এমপি, সদস্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। গেস্ট অফ অনার হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন  প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, বিটিএফও, উপাচার্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর, প্রফেসর ফরহাদ হোসেন, চেয়ারম্যান, ইংরেজি বিভাগ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, জনাব মাহবুবুর রশিদ, সাবেক সহকারী সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় মুজিবনগর সরকার, জনাব রফিকুল ইসলাম,  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন, মেজর জেনারেল এ কে এম মোহাম্মদ আলী শিকদার, কলামিস্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি এনালিস্ট, সুবির কুশারী, সাধারণ সম্পাদক, ইন্দো-বাংলা মৈত্রী সমিতি, প্রফেসর ড. মান্নান চৌধুরী সহ বিভিন্ন শিক্ষক, গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মুক্তিযোদ্ধা এবং সমাজ সচেতন বরণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি দুটি সেশনেই বক্তব্য উপস্থাপন করেন। স্মরণসভায় তিনি বলেন, শাহ এ.এম.এস.কিবরিয়া ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কে হারিয়ে জাতির একটি অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আশরাফুল ইসলাম সম্পর্কে তিনি বলেন,  তিনি থাকা অবস্থায় নির্বিঘ্নে গণতন্ত্র বজায় রয়েছে। তিনি ছিলেন সৎ, দেশপ্রেমিক ও মিতভাষী। শাহ এ.এম.এস কিবরিয়া সম্পর্কে বলেন, গ্রেনেড হামলায় নিহত হওয়ায় যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণের নয়। বিগত নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি জোট যে অপকর্ম করেছে তার ফলশ্রুতিতে তাদের এ পরিণতি। বাংলার মানুষ তাদের বর্জন করেছে। অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ দেশের উন্নতিতে যে অবদান রেখেছে, সে কারণেই আওয়ামীলীগের এ নিরংকুশ বিজয়। বাংলার মানুষ আওয়ামীলীগের উপর আস্থা রাখতে পারছে। তিনি বলেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশগুলোর একটি হবে। এখন সময় এসেছে সোনালী দিনের স্বপ্ন পূরণের।

জনাব ওয়ালিউর রহমান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, মহাপুরুষদের নৈতিকতা বুঝার জন্য তাদের হাতে কিছু ক্ষমতা প্রধান করতে হয়। শাহ এ.এম.এস কিবরিয়া ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন এমন দু’জন মানুষ যাদের হাতে ক্ষমতা থাকার পরও সেটির অপব্যবহার করেননি। নির্বাচনকে তিনি বলেন, এ নির্বাচনে একটি বিষয় পরিস্কার। আগামীর নির্বাচনে আর কোন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আর নির্বাচনে গুরুত্ব পাবে না। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে  মিস মাহজাবিন খালেদ  বলেন, শাহ এ.এম.এস কিবরিয়া ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তা কখনো ভুলার নয়। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, বিটিএফও, উপাচার্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর, প্রফেসর ফরহাদ হোসেন ,চেয়ারম্যান, ইংরেজি বিভাগ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা; জনাব মাহবুবুর রশিদ, সাবেক সহকারী সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় মুজিবনগর সরকার ; জনাব রফিকুল ইসলাম,  প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন ; মেজর জেনারেল এ কে এম মোহাম্মদ আলী শিকদার, কলামিস্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি এনালিস্ট ; জনাব সুবির কুশারী, সাধারণ সম্পাদক, ইন্দো বাংলা মৈত্রী সমিতি, প্রফেসর ড. মান্নান চৌধুরী সহ আরও অনেকে।

 

Copyright © 2014 BHF- All rights reserved. Powered by: i-make IT Solution

User Login