Activities 2018

 

MEET THE PRESS/প্রেস ব্রিফিং

বিষয়- উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা এবং জনবিভ্রান্তি

প্রেস রিলিজ

১৪-০৭-১৮ তারিখে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এরসেন্টার ফর গভার্নেন্স এ্যান্ড ডেমোক্রেসির উদ্যোগে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব ভবনে “উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা এবং জনবিভ্রান্তি” শীর্ষক একটি প্রেসব্রিফিং এর আয়োজন করে। প্রেসব্রিফিং এ মূল বক্তব্য উপস্থাপন এবং সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান জনাব ওয়ালিউর রহমান। উক্ত প্রোগ্রামেঅতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দল মান্নান চৌধুরী, সম্মিলিত সাংকৃতিক জোট এর সভাপতি জনাব গোলাম কুদ্দুস, সিআইপিএফএ এর সম্মানীয় ফেলো জনাব মাসুদ আহমেদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান, মোহাম্মদপুর সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কলেজ এর ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ফরহাদ হোসাইন, লেখক ও গবেষক জনাব রুদ্র সাইফুল। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষক, গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মুক্তিযোদ্ধা এবং সমাজ সচেতন বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জনাব ওয়ালউির রহমান তার মূল বক্তব্যে বলনে, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক ভাবমুর্তি বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে যাচ্ছে। ইতমধ্যে বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য অনেক স্বীকৃতি ও সম্মানের অধিকারী হয়েছে। এতদসত্ত্বেও কিছু মহল বাংলাদেশের সুনাম সুখ্যাতিতে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আঘাত হানার লক্ষ্যে প্রচেষ্টারত। তারা বাংলাদেশের মানুষকে ভ’ল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করতে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বদনাম করতে বদ্ধ পরিকর। তারা এখন দশেকে রাহুগ্রস্থ ও হাইব্রডি রজেমি বলে আখ্যা দয়িছে। আমরা এসকল বক্তব্যকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছ।বিগত জাতীয় নির্বাচন সম্পূর্ণ গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হয়। জনগন দ্বারা নির্বাচিত সরকারই ক্ষমতা অর্জন করেন। সরকার একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি কওে একটি নিরপেক্ষ নির্বচন আয়োজন করেন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সম্পূর্ণ বৈধ, গনতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক ভাবে জয় লাভ করে এবং সরকার গঠন করে যাকে রিজেম বলে আখ্যা দেয়া যায়না। তিনি আরো বলনে আগামি নর্বিাচন সময়মত হব।প্রস্তুতি চলছ। এ সকল ব্যক্তি/ সমাজ তার জ্ঞানবন্ধাত্ব দূর করে  বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে দৃষ্টিপাত করলে জনগন বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা পেত। সুতরাং তাদরে তনিি আহ্বান করনে তারা যেন অযথা বিভ্রান্তিমুলক মন্তব্য থেকে বিরত থাকে।

সম্মিলিত সাংকৃতিক জোট এর সভাপতি জনাব গোলাম কুদ্দুস তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিশ্বে আলোচিত হচ্ছে। এরপরও যারা সরকারের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তারা মুলত মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নদিদ্ধ চায়। বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এর ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ফরহাদ হোসাইন বলেন, দেশকে রাহুগ্রস্ত ও রেজিম বলে আখ্যা দেয়ার বক্তব্য মুলত পুর্বপরিকল্পিত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে যে পর্যায়ে গণতন্ত্র আছে এত উন্নত পর্যায়ের গণতন্ত্র পৃথিবীর আর কোথায় নেই। এর সম্মানীয় ফেলো জনাব মাসুদ আহমেদ বলেন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন কর সম্ভব নয়। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দল মান্নান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ রয়েছে। যার কারণে দেশে এত উন্নয়ন হয়েছে। যারা বিদেশে চলে গেছে তারা যেন দেশে চলে আসে কারণ দেশে এখন গণতন্ত্র আছে।

 

 

 

হেরিটেজ সেমিনার

বিষয়- নির্বাচন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড

 

প্রেস রিলিজ

২৭-০৬-১৮ তারিখে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে “নির্বাচন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন এবং সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান জনাব ওয়ালিউর রহমান। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ নাসিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিরিন আক্তার, এমপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল। এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঃ         (১) জনাব ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা এবং (২) জনাব নাজমুল হুদা, চেয়ারম্যান, তৃণমূল-বিএনপি।

আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য জনাব আআমস আরেফীন সিদ্দীক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জনাব নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ এবং আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক জনাব নাঈমুল ইসলাম খান। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, শিক্ষক, গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মুক্তিযোদ্ধা এবং সমাজ সচেতন নাগরিকসহ দেশের অন্যান্য বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জনাব ওয়ালিউর রহমান তার মূল বক্তব্যে বলেন স্বাধীনতার পর থেকে আমরা এই বিষয়ে পর্যায়ক্রমে যতটুকু উন্নতি সাধন করতে পেরেছি তা অনেকক্ষেত্রেই আলোচনায় স্থান পায়না বা স্বীকার করা হয়না। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন তার শক্তিশালী কাঠামো এবং নিরপেক্ষ ভুমিকার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনসমূহে কমিশন তা প্রমান করতে সফল হয়েছে। প্রার্থীরা সমানভাবে প্রচার প্রচারণা চালানোর সুযোগ পেয়েছে। ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পেরেছে। অন্যদিকে নির্বাচন সম্পর্কে বিএনপির সবসময় একটা নেতিবাচক মনস্তত্ব কাজ করে যার ফলে সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়ার পরেও তারা এমন অভিযোগ করে যার কোন ভিত্ত্বি নেই।  বস্তুত বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত। সুতরাং আসন্ন জাতীয় সংসদসহ অন্যান্য স্থানীয় নির্বাচনেও সকল দলের প্রার্থীর জন্য একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হবে তা এখন একটি অবশ্যম্ভাবী ব্যাপার।

মাননীয় মন্ত্রী বলেন বিএনপি তো কখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড  তৈরী করেনি। যাইহোক বর্তমানে সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাবান। তাই নির্বাচন নিয়ে সংশয়ের কিছু নাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রধান থাকবেন এবং নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবেন। তাই তিনি সবাইকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহবান জানান। শিরিন আক্তার, এমপি, বলেন, যারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেনা তাদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেয়া উচিত না। ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন অতীতে আওয়ামীলীগ কখনো লেভেল প্লেইং ফিল্ড পায়নি। তিনি আরো বলেন বর্তমানে উন্নয়নের কারনে এবং নেতৃত্বের কারনে মানুষ ভোট দিচ্ছে। নাজমুল হুদা বলেন নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের উপর নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া হয় যা লেভেল প্লেইং ফিল্ড এর পথে অনেক বড় পদক্ষেপ।

 

হেরিটেজ সেমিনার

বিষয়- সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনঃ খুলনা থেকে গাজীপুর

 

প্রেস রিলিজ

০২-০৬-১৮ তারিখে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন “সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনঃ খুলনা থেকে গাজীপুর” এই শিরোনামে একটি সেমিনারের আয়োজন করে। উক্ত সেমিনারে সভাপতিত্ব এবং মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান জনাব ওয়ালিউর রহমান। উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডঃ আআমস আরেফিন সিদ্দিকী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ মিসবাহ কামাল, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ডঃ আব্দুল মান্নান চৌঁধুরী, প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক জনাব শ্যামল দত্ত্ব, সাংস্কৃতিক জোটের প্রেসিডেন্ট গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির, এবং সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব পীযু্স বন্দোপাধ্যায় সহ আরো অন্যান্য বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ।

জনাব ওয়ালিউর রহমান তার মূল বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়েছে অবাধ সুষ্ঠ এবং সবার কাছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কিন্তু কিছু সংগঠন যাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষনের অনুমতি নেই তারা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করার নামে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে।  তিনি খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগগুলোরও যুক্তিখন্ডন করেন। তিনি বলেন বিএনপির নেতাকর্মীদের কেন্দ্রে না দেখা যাওয়ার কারণ ছিলো তাদের দলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না থাকা। বিএনপির যে কোন কর্মসূচিতে জনশুন্যতাই এটা প্রমান করে। এছাড়া বিএনপি যেসকল কেন্দ্রের ব্যাপারে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে এর বাইরে অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে যদি তাদের বক্তব্যানুসারে নির্বাচন সুষ্ঠ হয় সেখানে তো তারা জয়ী হয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারতো। কিন্তু এমনটিও ঘটেনি। সুতরাং খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ভিত্ত্বিহীন অভিযোগ দ্বারা এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবেনা।এছাড়াও তিনি নির্বাচন কমিশনের শক্তিশালী কাঠামো এবং নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকার প্রশংসা করেন।

তিনি আরো বলেন বস্তুত এই নির্বাচন ছিলো উন্নয়নের প্রতি জনগনের রায়ের প্রতিফলন। এবং তা সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সৎ, বলিষ্ঠ এবং দুরদর্শী নেতৃত্বের কারনেই। পরিশেষে তিনি আসন্ন গাজীপুরসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগন আবার উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে এই আশা প্রকাশ করেন।

ডঃ নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে কেন্দ্রের ৪০০ গজের বাহিরে থেকে তারপর কোন সংগঠন যদি কোন মন্তব্য করে তা অসম্পুর্ণ। এধরনের বক্তব্য বাস্তবতার সাথে বৈপরিত্ব তৈরী করে, ধুম্রজাল তৈরী করে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষেত্র তৈরী করে। সুতরাং এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে ভূমিকা পালন করতে হবে। জনাব শ্যামল দত্ব বলেন নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা কেমন হবে তার কোন নীতিমালা নেই। সামগ্রিক চিত্র না তুলে ধরে সারাদিন শুধু দু-একটি কেন্দ্রের অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ করতে থাকলে তা মানুষের মনস্তত্বে প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন খুলনায় ভালো প্রার্থীতা, দলীয় ঐক্যবদ্ধতা এবং জাতীয় উন্নয়নের ফলে আওয়ামীলীগ জয়ী হয়েছে। জনাব আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, যেকোন নির্বাচনে ভোটারেরা প্রার্থীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং যে দলের পক্ষে প্রার্থী নির্বাচন করছে সে দলের পক্ষে জনমতের অবস্থান মূল্যায়ন করে। তিনি বলেন, খুলনায় যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তারাই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে। আমাদেরকে এই অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। রোকেয়া কবির বলেন যে, কিছু দল ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রতিহত করতে চায়। নির্বাচন কমিশনকে এক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করতে হবে। গোলাম কুদ্দুস বলেন, শেখ হাসিনা যেসকল উন্নয়ন করছেন তার প্রভাব খুলনা সিটি কর্পোরেশনে পড়েছে। সেমিনারের অন্যান্য বক্তারাও নির্বাচনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন।

Copyright © 2014 BHF- All rights reserved. Powered by: i-make IT Solution

User Login