Activities 2017

45527281_191681265087376_9040173050112245760_n

A National Dialogue on Rohingya Issue

17th November,2017 Friday

Place- BIISS Auditorium

Bangladesh Heritage Foundation organized a national conference for discussing the situation arising out of the exodus of rohingyas form Myanmar to Bangladesh and discussed about the 5 point proposals of Prime Minister Sheikh Hasina MP at the UNGA on 21st September 2017. The conference Chaired by Mr. Waliur Rahman, Chairman of Bangladesh Heritage Foundation. High Commissioner of Canada, H.E Mr. Benoit Prefontaine, was Chief Guest in the conference. The special guests were Mr. Lieutenant General M. Harun – Ar- Rashid, Mr. Julian Francis,M.S Siddiqui, Mr. Sarwar Jahan Chowdhury , Prof. Farhad Hosain, Ambassador S.M. Rashed Ahmed ,  they all are presented their important opinion on this issue. Mr. Waliur Rahman said Bangladeshis are welcoming the Rohingyas. They don’t want to throw them down. Many of them doesn’t live a life of luxury but still they have welcomed the poor people. They are poorer than us. Unlike others, they let them come. Europe for example, then Czechoslovakia. They crossed the border then nobody can come. So see, I’m not taking the name of one country but there are many countries in the world who are scared to take the refugees. See, refugee does not become a refugee for the sake of pleasure. I was a refugee in Geneva for 9 months! While the liberation war in Bangladesh, I resigned to the Pakistan government. It is not a pleasure. So, a refugee becomes a refugee not out of any high thought, high principal or any pleasure. No, but because of some compassions. It’s political or other compassions. Here Mr. Harun – Ar- Rashid presented a statistic chart about the overpopulation and he said that there is discontentment among the local people because they are becoming minority

 

 20914735_995708640568969_4524154563321775484_n

জাতীয় শোক দিবস, ষোড়শ সংশোধনী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতি

তারিখ- শনিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭

স্থানঃ সিরডাপ অডিটোরিয়াম

 

বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন গত ১৯ই আগস্ট ২০১৭ তারিখে “জাতীয় শোক দিবস, ষোড়শ সংশোধনী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতি” র উপর একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল। আলোচনায়  উপস্থিত বক্তারা উপরোক্ত তিনটি বিষয়ের উপরই তাদের মূল্যবান বক্তব্য রেখেছেন। তারা সকলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করার পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের এবং ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে আলোচনা করেন। কী-নোট স্পীকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক  প্রধান বিচারপতি  জনাব এ বি এম খায়রুল হক। বঙ্গবন্ধুকে অনেক কাছ থেকে দেখার এবং জানার সুবাধে তার অনেক স্মৃতি আছে  যা তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। এছাড়া  তিনি ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে কথা বলার সময় সুরেন্দ কুমার সিনহার সমালোচনাও করেন। তিনি বলেন, সাধারণত প্রত্যেক জিনিসের একটা গ্রামার থাকে। আমাদের রায় লেখার মধ্যেও একটা গ্রামার আছে। সাধারণত যে ইস্যুগুলো থাকে তার বাইরে তেমন একটা যাওয়ার সুযোগ থাকে না আর থাকলেও ইস্যুর কাছাকাছি  থাকতে হয়। ১১৬ অনুচ্ছেদ নিয়ে  সিনহা সাহেব যেসব কথা বলেছেন তার সেটা বলা ঠিক হয়নি। আমি মনে করি দেশের জনগণের প্রতিনিধি তিনি যেই হোন না কেন সবার পিএইচডি ডিগ্রী থাকতে হবে, এমন কোন কথা নেই। পার্লামেন্ট মেম্বার হতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোন উপাদান নয়। অবশ্যই কিছু পিএইচ ডি ডিগ্রি হোল্ডার এবং অনেক শিক্ষিত লোকেরা পার্লামেন্ট আছেন। পার্লামেন্টকে নির্দেশনা দেয়ার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের নেই। পার্লামেন্ট একটি স্বাধীন সংস্থা । এই দেশের সবকিছুর মালিক হচ্ছে সার্বভৌম জনগণ। সিনহা সাহেব বলেন, পার্লামেন্ট ইজ ডিজফাংশনাল। আমি জানিনা তিনি অনুরাগ – বিরাগের বশবর্তী হয়ে  কথাগুলো বলেছেন কিনা। আমরা জজ সাহেবেরা কোনদিনই অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন কিছু করব না। রায়ে যদি কোন অনুরাগ বা বিরাগ রিফ্লেক্ট করে, তাহলে হোয়াট ইজ দ্য কনসিকোয়েন্স অব দ্যট জাজমেন্ট। থিঙ্ক এ্যাবাউট ইট।

বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১৯৭১ এর ঘাতকরা তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ গ্রহণ করার জন্য পরিকল্পিতভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মধ্যে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাগুলোকে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে, মুক্তিযুদ্ধের অর্জনগুলোকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা  দীর্ঘদিন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার করতে পারিনি। ১৯৯৬ সালে  আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর খুনীদের বিচার করতে পেরেছিলাম। আমাদের  দীর্ঘ স্বাধীনতার  সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রবেশ করেছিলাম। নবীনদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসটা তুলে ধরা হয়নি। দীর্ঘদিন তারা অন্ধকারে ছিল এখন তারা আলোতে আসার চেষ্টা করছে। আজকে তারা সঠিকটা জানার চেষ্টা করছে। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর আমরা স্বপ্ন দেখতে ভুলে গেয়েছিলাম এখন  আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন এবং সফলতার সাথে তা  বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছেন।

প্রকৌশলী  ড. গোলাম মোস্তফা বলেন, আমি  বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বড় হয়েছি এবং তাঁর আদর্শে বিশ্বাসী। আমরা খুব কম মানুষই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে চিন্তা করি। তার আদর্শ হল মানুষের কল্যাণে রাজনীতি। কিন্তু সেই মানুষের কল্যাণে রাজনীতি আমরা কতজন করছি এটা নিয়ে আমাদের ভাবা দরকার। কাজেই আমি চাইবো  আমরা সবাই যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের  রাজনীতি করতে পারি। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ দেখতে চাই। এজন্য আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের হাতে হাত মিলিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে

 

 

22885827_1031808210292345_7095584531118237157_n

 

“২৫ মার্চ একাত্তর এর গণহত্যাঃ আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবী”

তারিখঃ শনিবার, ২৫ শে মার্চ, ২০১৭

স্থানঃ বিআইআইএসএস অডিটোরিয়াম

পৃথিবীর ইতিহাসে গণহত্যার মধ্যে ২৫ মার্চ এক অন্যতম বিরল ঘটনা। পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করেছিলো। পাকিস্তান সৈন্যরা একযোগে পিলখানা, রাজারবাগ,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বাঙালিদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। ১৯৪৮ সালের কনভেনশন অনুসারে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এর ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড “গণহত্যা’’ হিসিবেই বিবেচিত। যদিও ২০১৫ সালের ১১ ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের রেজুলেশন নং- ৬৯/৩২৩ অনুসারে ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি জানানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ ৪৬ বছর পর বাংলাদেশ সরকার ২৫ মার্চ কে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির জন্য জাতিসংঘের নিকট যথাযথ প্রস্তাবনা রাখার জন্য  পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে আশা করে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন।

সেই লক্ষ্য কে সামনে রেখে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন  ২৫ মার্চ  ২০১৭ তারিখে “২৫ মার্চ একাত্তর এর গণহত্যাঃ আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবী” এই শিরোনামে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে। উক্ত আলোচনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে সমর্থন করে ২৫ মার্চ কে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবী জানানো। উক্ত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব  ও রাষ্ট্রদূত, জনাব ওয়ালিউর রহমান।  তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির  দাবী জানিয়ে পালন করছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৫ মার্চ গণহত্যার ভয়াবহতার তথ্য প্রকাশ এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক আলোচনা গুরুত্বের সাথে করবে বলে আশা রাখি। উক্ত আলোচনাসভার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিজুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জনাব আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি। তিনি বলেন কেবিনেটের সংক্ষিপ্ত মিটিং এ আলাপ আলোচনার প্রেক্ষিতে সারা দেশে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। এবং আগামী বছর থেকে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। যথাযথ পদক্ষেপ এর মাধ্যমে জাতিসংঘ থেকেও যেন ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতপ্রাপ্ত হয় সে বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আলোচনাসভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা।

Copyright © 2014 BHF- All rights reserved. Powered by: i-make IT Solution

User Login